রাফির গল্পটি আলাদাভাবে বলার কারণ আছে। তিনি একজন সাধারণ চাকরিজীবী, বেটিং বিশেষজ্ঞ নন। তবু xx99 bet-এ তার ধারাবাহিক সাফল্য অনেকের কাছে অনুপ্রেরণার উৎস। তার পুরো যাত্রাটা একটু ভেঙে দেখি।
শুরুর দিন – ভুল থেকে শেখা
রাফি প্রথম মাসে মোট ৳১,০০০ বিনিয়োগ করেন এবং প্রায় ৳৩৫০ হারান। তার ভুলগুলো ছিল একদম সাধারণ – পরিচিত দলে আবেগ থেকে বেট করা, একটি ম্যাচে বেশি টাকা লাগানো এবং হারের পর বড় বেট দিয়ে "কাভার" করার চেষ্টা করা।
"প্রথম মাসে বুঝলাম, আমার প্রিয় দল আর আমার বেটের দল এক হওয়া উচিত নয়। xx99 bet-এ বেট ধরা মানে পরিসংখ্যান বোঝা, আবেগ নয়।"
দ্বিতীয় মাস – কৌশল তৈরি
দ্বিতীয় মাস থেকে রাফি একটি নোটবুক রাখতে শুরু করেন। প্রতিটি বেটের তারিখ, ম্যাচ, মার্কেট, অড়স, বেটের পরিমাণ এবং ফলাফল লিখতেন। মাসশেষে পর্যালোচনা করে দেখলেন কোথায় সফল, কোথায় ব্যর্থ।
তিনি বুঝলেন T20 ম্যাচে "টপ ব্যাটসম্যান" মার্কেটে তার সাফল্যের হার অনেক বেশি কারণ তিনি এই বিষয়ে সত্যিকারের ভালো জ্ঞান রাখেন। xx99 bet-এ তিনি সেই মার্কেটেই মনোযোগ দিলেন।
তৃতীয় থেকে ষষ্ঠ মাস – ধারাবাহিক মুনাফা
তৃতীয় মাস থেকে রাফির নেট পজিটিভ হতে শুরু করে। তিনি প্রতি সপ্তাহে সর্বোচ্চ ৫টি বেট করতেন এবং প্রতিটি বেটে মোট ব্যালেন্সের ৩% লাগাতেন। ব্যালেন্স বাড়ার সাথে সাথে বেটের পরিমাণও বাড়ত, কিন্তু অনুপাত ঠিক থাকত।
- তৃতীয় মাস: +১৮% রিটার্ন
- চতুর্থ মাস: +২২% রিটার্ন
- পঞ্চম মাস: +১৫% রিটার্ন (কম ম্যাচ ছিল)
- ষষ্ঠ মাস: +১৩% রিটার্ন
৬ মাসে তার মোট রিটার্ন দাঁড়াল ৬৮%-এ। একটি সাধারণ ব্যাংক এফডিআর বছরে যা দেয়, তা থেকে এটা অনেক বেশি – তবে রাফি বলেন এতে সময় ও গবেষণা লাগে।